IQNA

12:33 - February 09, 2026
সংবাদ: 3478870

 ৪৭ বছরে ১৪ গুণ বিদ্যুৎ বৃদ্ধি: ইরান রাশিয়া-ইরাক-ওমানে টারবাইন পাঠাচ্ছে  

ইকনা- ইরান রাশিয়া,ইরাক,ওমান,সিরিয়া, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ায় টারবাইন রফতানি করছে।

 ৪৭ বছরে ১৪ গুণ বিদ্যুৎ বৃদ্ধি: ইরান রাশিয়া-ইরাক-ওমানে টারবাইন পাঠাচ্ছে

 

অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও প্রয়োজন মিটিয়ে ইরান বৈদ্যুতিক টারবাইন, ট্রান্সফরমার ও জেনারেটর বিদেশে যেমন: রাশিয়া,ইরাক,ওমান,সিরিয়া,পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি করছে।

উল্লেখ্য যে শাহের আমলের শেষে ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লব বিজয় কালে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল বছরে মাত্র ৭০০০ মেগাওয়াট এবং তখন ইরানের লোকসংখ্যা ছিল প্রায় ৩৩ মিলিয়ন। কিন্তু ৪৭ বছরে ২০২৬ সালে এসে ৯০ মিলিয়নের অধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত ইরানে বার্ষিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১০০০০০ মেগাওয়াট।এই ৪৭ বছরে ইরানের জনসংখ্যা ২৭৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪ গুণেরও বেশি।আর এই ৪৭ বছরে মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) আরোপিত তীব্র নিষেধাজ্ঞা, নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র ও চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ সত্ত্বেও ইরান বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও সাজ-সরঞ্জাম যেমন: বিভিন্ন ধরনের টারবাইন, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি উৎপাদনে ৯৯% স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে যা সত্যিই অভূতপূর্ব প্রশংসনীয় গৌরবোজ্জ্বল স্থায়ী অর্জন,উন্নয়ন ও অগ্রগতি। উল্লেখ্য যে পাশ্চাত্য বিশেষ করে মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) পাচাটা গোলাম শাহের আমলে ইরান বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং বৈদ্যুতিক টারবাইন,জেনারেটর ট্রান্সফর্মার,যন্ত্রপাতি ও সাজ-সরঞ্জাম অভ্যন্তরীণ ভাবে উৎপাদন করতে পারত না এবং এগুলোর প্রায় ১০০% বিদেশ বিশেষ করে মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), জার্মানি ও ইউরোপীয় দেশ সমূহ থেকে আমদানি করত।

মহান আল্লাহর ওপর বান্দারা নির্ভর করলে এবং ধৈর্যের সাথে আল্লাহর পথে তারা দৃঢ়পদ থাকলে আল্লাহ পাক স্বীয় বান্দাদেরকে সাহায্য করেন, তাদেরকে মুক্তির পথ দেখান এবং কল্যাণ ও বরকত দান করেন।

ইসলামী চিন্তাবিদ এবং গবেষক হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান

ট্যাগ্সসমূহ: ইসলাম ، ইরান ، মিলিয়ন ، বিদ্যুৎ
captcha